গ্লোবালাইজেশন ২.০
আমেরিকার নেতৃত্বে বিংশ শতকে যে বিশ্বায়ন ঘটে গেছে তাকে যদি আমরা গ্লোবালাইজেশন ১.০ বলি তাহলে একবিংশ শতকে নতুন বিশ্বায়ন কে আমরা বলতে পারি গ্লোবালাইজেশন ২.০। আর এর নেতৃত্বে আছে এশিয়ার পরাশক্তি চীন।
চীনের বিনিয়োগে এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে নতুন সিল্ক রোড অবকাঠামো গড়ে উঠছে যা এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ে সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখবে। একই সাথে এটি বিশ্বের এই বিরাট অঞ্চলে চীনের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। চীনের নেতৃত্বে এই বিশ্বায়নে বাংলাদেশও অংশীদার হতে পারে। পশ্চিমা বিশ্ব যেখানে গ্লোবালাইজেশনের উল্টো দিকে হাটছে সেখানে চীনের এই উদ্যোগ আমাদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে। এই সুযোগ আমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারি তা আমাদের এখনয় ভাবতে হবে।
আমেরিকার নেতৃত্বে বিংশ শতকে যে বিশ্বায়ন ঘটে গেছে তাকে যদি আমরা গ্লোবালাইজেশন ১.০ বলি তাহলে একবিংশ শতকে নতুন বিশ্বায়ন কে আমরা বলতে পারি গ্লোবালাইজেশন ২.০। আর এর নেতৃত্বে আছে এশিয়ার পরাশক্তি চীন।
চীনের বিনিয়োগে এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে নতুন সিল্ক রোড অবকাঠামো গড়ে উঠছে যা এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ে সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখবে। একই সাথে এটি বিশ্বের এই বিরাট অঞ্চলে চীনের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। চীনের নেতৃত্বে এই বিশ্বায়নে বাংলাদেশও অংশীদার হতে পারে। পশ্চিমা বিশ্ব যেখানে গ্লোবালাইজেশনের উল্টো দিকে হাটছে সেখানে চীনের এই উদ্যোগ আমাদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে। এই সুযোগ আমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারি তা আমাদের এখনয় ভাবতে হবে।

