বাজারে নানান ব্রান্ডের নানান কনফিগারেশনের মোবাইল ফোনের মধ্যে থেকে আপনার দরকারি ফোনটি খুঁজে নেওয়া সত্যিই দুরূহ কাজ।
১. ব্র্যান্ড: প্রথমেই ব্রান্ডের দিকে নজর দিন।প্রথম সারির মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ডগুলো ছাড়াও দ্বিতীয় সারির কিছু ব্র্যান্ড ভালো মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরী করে।এছাড়া দেশীয় কিছু ব্র্যান্ড বাজারে পাওয়া যায়। সব শেষে আছে ইন্ডিয়া বা চায়নার কিছু লোকাল ব্র্যান্ড।
প্রথম সারির ব্র্যান্ড : এপোল , স্যামসাং , মাইক্রোসফট।
দ্বিতীয় সারির ব্র্যান্ড : আসুস , এইচটিসি ,শাওমি, হুয়াওয়েই , অপ্পো।
দেশীয় ব্র্যান্ড : ওয়ালটন , সিম্ফনি।
চায়না লোকাল ব্র্যান্ড : ম্যাক্সিমাস, স্প্রিন্ট, ডিজিটাল , আই-ম্যাক্স , জি-৫, টি মোবাইল , কিং মোবাইল, এসফোন, ইনফিনিক্স ইত্যাদি
ইন্ডিয়ান লোকাল : মাইক্রোম্যাক্স।
স্বাভাবিক ভাবেই প্রথম বা দ্বিতীয় সারির ব্রান্ডের হ্যান্ডসেটগুলোর মান ভালো।তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি।অন্যদিকে দেশি বা চায়না ব্রান্ডের হ্যান্ডসেটগুলো বেশ কম দামে পাওয়া যায়। আরেকটা জিনিস মনে রাখবেন বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন সব হ্যান্ডসেটই কিন্তু চায়নার তৈরী।
২. মূল্য : একটি ভালোমানের স্মার্ট ফোন কেনার জন্য ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখুন, এর থেকে বেশি দাম দিয়ে স্মার্ট ফোন কেনার কোনো মানে নেই যদি না আপনার বিশেষ কিছুর প্রয়োজন থাকে।এই রেঞ্জের মধ্যে যে কোনো স্মার্ট ফোন ৫০-৬০ হাজার টাকার ফোনের মতোই কাজ করবে।তবে স্ক্রিন রেজুলেশন, ক্যামেরা এবং প্রসেসর স্পিড ইত্যাদি ক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা কম্প্রোমাইজ করতে হবে।হতাশ হবেন না , এসব কিছুর হাই কনফিগারেশন আপনার দরকার নাও হতে পারে।আপনার প্রয়োজনের থেকে বেশি কিছুর জন্য টাকা দিবেন না।
৩. স্ক্রিন সাইজ : আপনি কি মোবাইলে গেম খেলা বা ভিডিও (ইউ টিউব ) দেখতে অভ্যস্ত। তাহলে যত সম্ভব বড় স্ক্রিনের হ্যান্ডসেট সিলেক্ট করুন। আর তা না হলে আপনার উচিত হবে এক হাতে অপারেট করা যায় এমন সাইজের সেট কিনা। আবার আপনি যদি মোবাইলএ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন বা বই পড়তে চান তাহলে বড় স্ক্রিনের হ্যান্ডসেট আপনার জন্য উপযুক্ত।


No comments:
Post a Comment