টাকা বা চাকরীর জন্য ছাত্রলীগকে যোগাযোগ করতে বললেন ওবায়দুল কাদের : একটি পর্যালোচনা - Daily Blog Bangladesh

আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে যা কিছু আছে তা নিয়েই এই ব্লগ নেট।আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম ।

Home Top Ad

DAILY BLOG BANGLA

Post Top Ad

DAILY BLOG BANGLA

Tuesday, June 13, 2017

টাকা বা চাকরীর জন্য ছাত্রলীগকে যোগাযোগ করতে বললেন ওবায়দুল কাদের : একটি পর্যালোচনা


জনাব ওবায়দুল কাদের এম পি 
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তোমাদের কারও সংগঠন করার জন্য অথবা ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের যদি কোনো আর্থিক সহায়তার দরকার হয়, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আমার নেত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তোমাদের জানাতে চাই, এসব বিষয় আমরা দেখব। টাকার জন্য কোনো অপকর্মে যাওয়া যাবে না। টাকার দরকার হলে আমার কাছে আসবে। আমি নেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব। যখন ছাত্রত্ব চলে যাবে, বেকার হবে, চাকরির জন্য প্রয়োজন হবে, আমার কাছে আসবে।’ ----  প্রথম আলো : ১১-০৬-১৭

তার এই বক্তব্যের বিপরীতে কিছু প্রতিক্রিয়াশীল মন্তব্য :

"ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, টাকার দরকার হলে আমার কাছে আসবে। চাকরির জন্য প্রয়োজন হবে, আমার কাছে আসবে। কিন্তু অন্যদের ? কিন্তু কেন ? এই দেশ কার ? আমি কে ? শুধুমাত্র বাছাই-করা ব্যক্তি?"

"দলীয় সরকারের কাছে শুধু নিজের দলের মানুষের গুরুত্ব আছে। তাদের সুযোগ সুবিধার জন্য সরকার উদার হস্ত। অন্যরা দেশের কেউ নয়। তারা যা পায় তা নিখাদ বিমাতাসূলভ ব্যবহার।"

"টাকা ও চাকরির জন্য তাদের না ডেকে বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশোনার সঠিক পরিবেশ বজায় রেখে তাদের লেখাপড়া করতে বলেন। চাকরির জন্য তাদের আপনার কাছে যেতে হবেনা, চাকরিই তাদের খুঁজবে।"

 শুনে মনে হবে জনাব ওবায়দুল কাদের এই কথা বলে বিরাট পাপ করে ফেলছেন।কিন্তু আমরা যদি প্রকৃত ফ্যাক্ট গুলো দেখার চেষ্টা করি তাহলে দেখবো তার কথার যথার্থতা আছে।

প্রথমত, যেসব ছেলে বা মেয়েরা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হয় তারা সংগঠন পরিচালনার জন্য দলের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারে। 
দ্বিতীয়ত , রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত অনেকেই অস্বচ্ছল পরিবার থেকে আসে। এরা যদি দলের কাছে ব্যাক্তিগত কারণে অর্থ বা ভাতা দাবি করে দল তা বিবেচনা করতেই পারে। 
জামাতে ইসলাম কিন্তু শুরু থেকেই এই কাজ করে আসছে। ফলে শিবির কর্মীদের টেন্ডারবাজি বা চাঁদাবাজি করার কথা শোনা যায়না। 

এবার আসা যাক চাকরি প্রসঙ্গে _
যে কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাইলে সরকারে এবং বিভিন্ন্ প্রতিষ্ঠানে দলীয় করণের প্রয়োজন আছে।অন্যথায় দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এই কাজে কোনো দল তাদের কর্মী সমর্থকদের প্রাধান্য দিবে এটাই স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে আবারো জামাতে ইসলামের কথা বলতে হয়, জামাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র শিবির কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয় তা এই কারণেই।

তো এখন কথা হচ্ছে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কি হবে ? তারা কি বঞ্চিত ? 
বেপারটা আসলে এমন নয়।  সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পুরা সময়টাই যদি ভালোভাবে লেখাপড়ার পেছনে ব্যয় করে তবে তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পায় এবং ভবিষ্যতেও পাবে। তাদের নিশ্চিত ভাবেই কারো দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন হয়না। কেউ তার কাজের জন্য বেশি কিছু পেলো, এর মানে এই নয় যে আপনি বঞ্চিত।

তথ্য সুত্রঃ  DAILYBLOG JOURNAL 

Post Top Ad

DAILY BLOG