![]() |
| জনাব ওবায়দুল কাদের এম পি |
তার এই বক্তব্যের বিপরীতে কিছু প্রতিক্রিয়াশীল মন্তব্য :
শুনে মনে হবে জনাব ওবায়দুল কাদের এই কথা বলে বিরাট পাপ করে ফেলছেন।কিন্তু আমরা যদি প্রকৃত ফ্যাক্ট গুলো দেখার চেষ্টা করি তাহলে দেখবো তার কথার যথার্থতা আছে।
প্রথমত, যেসব ছেলে বা মেয়েরা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হয় তারা সংগঠন পরিচালনার জন্য দলের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারে।
দ্বিতীয়ত , রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত অনেকেই অস্বচ্ছল পরিবার থেকে আসে। এরা যদি দলের কাছে ব্যাক্তিগত কারণে অর্থ বা ভাতা দাবি করে দল তা বিবেচনা করতেই পারে।
জামাতে ইসলাম কিন্তু শুরু থেকেই এই কাজ করে আসছে। ফলে শিবির কর্মীদের টেন্ডারবাজি বা চাঁদাবাজি করার কথা শোনা যায়না।
এবার আসা যাক চাকরি প্রসঙ্গে _
যে কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাইলে সরকারে এবং বিভিন্ন্ প্রতিষ্ঠানে দলীয় করণের প্রয়োজন আছে।অন্যথায় দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এই কাজে কোনো দল তাদের কর্মী সমর্থকদের প্রাধান্য দিবে এটাই স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে আবারো জামাতে ইসলামের কথা বলতে হয়, জামাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র শিবির কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয় তা এই কারণেই।
তো এখন কথা হচ্ছে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কি হবে ? তারা কি বঞ্চিত ?
বেপারটা আসলে এমন নয়। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পুরা সময়টাই যদি ভালোভাবে লেখাপড়ার পেছনে ব্যয় করে তবে তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পায় এবং ভবিষ্যতেও পাবে। তাদের নিশ্চিত ভাবেই কারো দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন হয়না। কেউ তার কাজের জন্য বেশি কিছু পেলো, এর মানে এই নয় যে আপনি বঞ্চিত।
তথ্য সুত্রঃ DAILYBLOG JOURNAL
তথ্য সুত্রঃ DAILYBLOG JOURNAL

